বিভাগ: কবিতা

রোববারের নিমপাতা

জলের ফোয়ারা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভাবনা

তোমাদের গুহাচিত্রে কোনোদিনই হবে না লাল

দ্যাখো, পোড়া হাত নির্দেশ করতেই-

পাখিরঙ-পর্বতদ্বয় উড়তে থাকে ইস্রাফিলে (সম্পূর্ণ…)

হৃদ্সংক্রান্তি

আমার হৃৎপি- ঠোঁটে করে উড়ে যাচ্ছে যে পাখি, তার জন্য এই উলুধ্বনিময় সন্ধ্যা। ভাবছি, কে হবে আজ এই হৃদ্সংক্রান্তির যোগ্য পুরোহিত। ও পাখি বলো, কোন পুরাণে তোমার বসবাস? আর কোন সর্গে তোমার স্নানদৃশ্যের ললিত শোলোক? আমি ফেটে-পড়া ডালিমের বিচ্যুত দানার মতো এই জীবন পুরোটা বন্ধক রেখে তোমাকে একফোঁটা পবিত্র জল এনে দেব। (সম্পূর্ণ…)

দর্জি

…তারপর তিনিও জানলেন সেলাই মেশিনের বেদনা।

 

ততদিনে কালো হয়ে উঠেছে রেশমের কীটসমূহ

আর তাদের তীক্ষè কামড়ে যোগ্যতর হয়ে উঠেছে রেশমের দল

পরিধেয় জামায় লেগে থাকবে যাদের বিদীর্ণ খোলস এবং দীর্ঘশ্বাস (সম্পূর্ণ…)

কুয়াশামতন

কতটুকু আড়াল পেলে শরীরে হৃষিকেশের ঘণ্টা বাজে- আঁধার জানে

জানে বলেই নিভৃতসবুজ পতাকা ওড়ানো গাছেদের বিশ্বাস করে সে

তাই দেখে দেখে পুরুষ এনেছিল মায়াবৃক্ষের বীজ- একদিন। তার টানে

এসেছিল হুটিট্টি পাখি।  ওদের বর্ণান্ধ গানে নগরময় ময়লাআলোর দিন (সম্পূর্ণ…)

সোনাই

ছুঁইও না আমারে তুমি, আমি আজ দুঃখে জরো জরো

ছুঁইও না আমারে তুমি, আমি আজ জলে টলোমলো।

 

এইটুকু বলিয়া সোনাই রোদনে মজিল। সোনাইয়ের দুঃখে কান্দে গাছের পাতা যত। সোনাইয়ের দুঃখে কান্দে বনের পাখি শত। (সম্পূর্ণ…)