বিভাগ: অনুবাদ কবিতা

যুদ্ধের বিপক্ষে কবিতা : পাঁচ কবির পাঁচটি কবিতা

 

(জন্মলগ্ন থেকে মানুষের জীবন ও জীবিকা, ধর্ম ও রাজনীতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, উত্থান ও পতন, এ রকম প্রতি অনুষঙ্গে জড়িয়ে আছে যুদ্ধ। পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের বড়ো একটা অংশ এই যুদ্ধেরই বিভীষিকা ও ইতিহাস। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থও মূলত যুদ্ধ-বিগ্রহের বর্ণনা ও বিস্তার। অনাদিকাল থেকে মানুষের এক নির্মম ও প্রিয় খেলা এই যুদ্ধ। বিপরীতক্রমে, মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ সব সময়ই যুদ্ধের বিপক্ষে সোচ্চার হয়েছেন। এঁদের মধ্যে সমাজের অগ্রসর অংশ, কবি ও সাহিত্যিক, শিল্পী ও বিজ্ঞানীরা প্রধান ভূমিকা রেখেছেন। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে এই কবি-সাহিত্যিকেরা বিরামহীনভাবে যুদ্ধের বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন। বিশ্ব সাহিত্যের প্রথম দিকে যুদ্ধ-বিরোধী কবিতা লেখেন হোমার। তারপর পৃথিবীর প্রায় সব বিখ্যাত কবিই যুদ্ধ-বিরোধী কবিতা লিখেছেন। এখনো লেখা হচ্ছে অসংখ্য। এরকম হাজার হাজার কবিতা থেকে কয়েকটা কবিতা বেছে নেয়া দুঃসাধ্য। অনেকটা দৈবচয়ন করে গত শতাব্দীর পাঁচজন কবির পাঁচটি কবিতা অনুবাদ করা হলো।) (সম্পূর্ণ…)

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কবিতা

 

মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে উজ্জ্বল বিংশ শতাব্দী। জ্ঞান-বিজ্ঞানের অচিন্তনীয় অগ্রগমনে, প্রযুক্তি ও জীবনমানের অভাবনীয় উৎকর্ষতায়, সৃষ্টির নানা বৈচিত্র্য ও অভিনবত্বে বিংশ শতাব্দীর কোনো তুলনা নেই। একদিকে যেমন বিস্ময়কর  আলোকময় অগ্রগতি, অন্যদিকে এ শতাব্দী কালিমালিপ্ত হয়েছে দুটি বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ তা-বে। দুটি বিশ্বযুদ্ধেরই সূত্রপাত হয় ইউরোপে, বিবদমান পক্ষগুলোও প্রায় অবিকৃত থাকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৪ সালে, আজ থেকে ঠিক একশ বছর আগে, শেষ হয় ১৯১৮ সালে মিত্র শক্তির জয়ের মধ্য দিয়ে। শিল্পের যে কোনো শাখার মতোই যুদ্ধের বিভীষিকা ও তা-ব আহত, বিমর্ষ করে কবিদের। তারা রচনা করেন অসামান্য সংবেদনশীল পঙ্ক্তিমালা। কেবল কলম নয়, তারা সত্যিকার অর্থেই যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে স্বদেশের পক্ষে অস্ত্র ধরেছিলেন। যুদ্ধের কবিতাগুলো তাই হয়ে উঠেছে জীবন্ত, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার দ্যুতিতে ঝলমলে। অতীব দুঃখের ব্যাপার,  লড়াইরত অনেক কবি ফ্রন্টে শত্রুর গুলিতে বা কামানের শেলের আঘাতে নিহত হয়েছেন, অকালে ঝরে গেছে অনেক অমূল্য প্রাণ ও প্রতিভা।  এখানে সংকলিত দশটি কবিতাকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ওপর রচিত ইংরেজি কবিতাসমূহের মাঝে শ্রেয়তর ভাবা হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শততম বর্ষ স্মরণে বিখ্যাত দশটি কবিতা এখানে অনূদিত হলো। (সম্পূর্ণ…)

বৃন্দাবন

অক্তাবিও পাস

অনুবাদ: সাজ্জাদ শরিফ

 মেহিকোর কবি অক্তাবিও পাস (১৯১৪-১৯৯৮) ছয় মাসের জন্য প্রথম ভারতবর্ষে আসেন ১৯৫১ সালে, অকিঞ্চিৎকর কূটনৈতিক কাজে। ১৯৬২ সালে দীর্ঘ ছয় বছরের জন্য আবার আসেন রাষ্ট্রদূত হয়ে- পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও আফগানিস্তানের দায়িত্ব নিয়ে। ভারতবর্ষ তাঁর জীবন পাল্টে দেয়। এ অভিজ্ঞতা (সম্পূর্ণ…)

হাইকুগুচ্ছ

3আসাদ চৌধুরী অনূদিত 

 হাইকু, বলার অপেক্ষা রাখে না, জাপানের সীমানা অনেক আগেই পেরিয়ে এসেছে। রবীন্দ্রনাথের কল্যাণেই প্রথম কিছু বঙ্গানুবাদের স্বাদ বাংলা বর্ণমালায় আমরা শিখেছিলাম, এরপর অনেকেই বাংলায় তর্জমা করেছেন। হাইকুর গ্রেট মাস্টার বলতে বোঝায় মাৎসুও বাশো (১৬৪৮-১৬৯৪) ইয়োসা বুলন (সম্পূর্ণ…)