বিভাগ: অনুবাদ

অব্যাখ্যাত দৃশ্য

যেন আমি অনন্তকাল ধরে অচেনা সব রাস্তা দিয়ে

পুরাতন-নতুন দালান কোঠার ভিতরে ভিতরে

রিকশা চেপে যাচ্ছি; যাচ্ছি তো যাচ্ছি, যাচ্ছি তো যাচ্ছি…

কালো কালো দেয়ালে কারা যেন লিখে রেখেছে (সম্পূর্ণ…)

বিড়ালদের শহর : হারুকি মুরাকামি

 

হারুকি মুরাকামির জন্ম ১৯৪৯ সালে, জাপানের কিওতো শহরে। টোকিওর ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি নাটক বিষয়ে পড়াশুনা করেন। পড়াশুনা শেষ করে তিনি একটি জ্যাজ বার খোলেন টোকিওতে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী, ইয়োকো মিলে পরিচালনা করেন এই বার। গল্প উপন্যাসের পাশাপাশি মুরাকামি নন-ফিকশনও লিখেছেন। এছাড়া তিনি একজন দৌড়বিদও, অংশ নিয়েছেন ম্যারাথন দৌড়ে। মুরাকামির গ্রন্থগুলোর মধ্যে আছে: এখানে বাতাস গান গায় (১৯৭৯), পিনবল ১৯৭৩ (১৯৮০), বুনো ভেড়ার মৃগয়া (১৯৮২), নরওয়েজীয় অরণ্য (১৯৮৭), নাচো নাচো নাচো (১৯৯৭), সীমান্তের দক্ষিণ, সূর্যের পশ্চিম (২০০০), স্পূটনিক সুইটহার্ট (২০০১), সৈকতে কাফকা (২০০৫), ১কিউ৮৪ (২০১১) ইত্যাদি। যেসব পুরস্কার পেয়েছেন: গাঞ্জো পুরস্কার (১৯৭৯), নোমা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮২), তানিজাকি পুরস্কার (১৯৮৫), ইয়োমিউরি পুরস্কার (১৯৯৫), ওয়ার্ল্ড ফ্যান্টাসি পুরস্কার (২০০৬), ফ্রাঙ্ক ও’কননর আন্তর্জাতিক ছোটগল্প পুরস্কার।
(সম্পূর্ণ…)

আমার একটি স্বপ্ন আছে

মার্টিন লুথার কিং

ওয়াশিংটন ডি সি, ২৮ আগস্ট ১৯৬৩

I have a dream

১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে যখন আমেরিকাজুড়ে আব্রাহাম লিংকনের ‘বন্ধনমুক্তি ঘোষণার’ শতবর্ষ পালিত হচ্ছে, ‘ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর দি অ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপল’ তখন ‘তেষট্টির মধ্যে মুক্তি’ স্লোগান নিয়ে কালো আমেরিকানদের জন্য ন্যায়বিচার দাবি করে এক ব্যাপক আন্দোলন শুরু করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ফলপ্রসূ ডেমানস্ট্রেশন হয় আলাবামার বার্হিংহামে [এখানে কিং (১৯২৯-৬৮) সিটি হলের দিকে এক মিছিলে নেতৃত্ব দেন এবং দু দুবার কারাবরণ করেন। তবে এখানেই আন্দোলনের পক্ষে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কাজ হয়] এবং সেলমাতে। সেলমাতে মন্টগোমারি অভিমুখে অগ্রসরমাণ এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিলে বক্তৃতা করেন কিং এবং র‌্যালফ বাঞ্চ। তখন পর্যন্ত র‌্যালফ বাঞ্চ ছিলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান। (সম্পূর্ণ…)

এক সৈনিকের বাড়ি ফেরা : আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

বিশ্বযুদ্ধ ও হেমিংওয়ে :

আমেরিকান সাহিত্যে হেমিংওয়ের মতো করে যুদ্ধকে আর কেউ উঠিয়ে আনতে পারেননি। গোটাবিশে^ ওয়ার রাইটিংস বা যুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্মের প্রসঙ্গ উঠলেই চলে আসে এই নোবেলজয়ী মার্কিন কথাসাহিত্যিকের কথা। তাঁর সাহিত্যে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও যুদ্ধপরবর্তী নিসঙ্গতা বা হতাশার কথা যেভাবে এসেছে তিনি নিজে যুদ্ধসৈনিক না হলে হয়ত সেভাবে আসতে না। ব্যক্তিজীবনে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক ছিলেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাংবাদিক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধচলাকালে হেমিংওয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্র। ১৯১৭ সালের এপ্রিল মাসে আমেরিকা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। জার্মান এবং অস্ট্রিয়ার বিপক্ষ জোটে শরিক হয়। ১৮ বছর পূর্ণ হলে হেমিংওয়ে আর্মিতে নিজের নাম লেখানোর চেষ্টা চালান; কিন্তু বাম চোখে সমস্যা থাকার কারণে বাদ পড়ে যান। যখন তিনি জানতে পারেন যে, রেডক্রস স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার নিচ্ছে, তিনি দ্রুত নিজের নাম লেখান। তিনি কানসাস শহরে কাজ করেন। এই শহরের কথা বর্তমান গল্পে উল্লেখ আছে। যুদ্ধচলাকালে ‘স্টার’ নামক সংবাদপত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতায় পরবর্তীতে ফিকশন লেখার ক্ষেত্রে হেমিংওয়ের জন্যে বড় সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়। ছোট ছোট বাক্য, সংক্ষিপ্ত কার্যকরী বয়ান, অতিকথন বর্জন- এগুলো তিনি সংবাদমাধ্যমে কাজ করতে করতে আয়ত্তে আনেন। (সম্পূর্ণ…)

যুদ্ধের বিপক্ষে কবিতা : পাঁচ কবির পাঁচটি কবিতা

 

(জন্মলগ্ন থেকে মানুষের জীবন ও জীবিকা, ধর্ম ও রাজনীতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, উত্থান ও পতন, এ রকম প্রতি অনুষঙ্গে জড়িয়ে আছে যুদ্ধ। পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের বড়ো একটা অংশ এই যুদ্ধেরই বিভীষিকা ও ইতিহাস। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থও মূলত যুদ্ধ-বিগ্রহের বর্ণনা ও বিস্তার। অনাদিকাল থেকে মানুষের এক নির্মম ও প্রিয় খেলা এই যুদ্ধ। বিপরীতক্রমে, মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ সব সময়ই যুদ্ধের বিপক্ষে সোচ্চার হয়েছেন। এঁদের মধ্যে সমাজের অগ্রসর অংশ, কবি ও সাহিত্যিক, শিল্পী ও বিজ্ঞানীরা প্রধান ভূমিকা রেখেছেন। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে এই কবি-সাহিত্যিকেরা বিরামহীনভাবে যুদ্ধের বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন। বিশ্ব সাহিত্যের প্রথম দিকে যুদ্ধ-বিরোধী কবিতা লেখেন হোমার। তারপর পৃথিবীর প্রায় সব বিখ্যাত কবিই যুদ্ধ-বিরোধী কবিতা লিখেছেন। এখনো লেখা হচ্ছে অসংখ্য। এরকম হাজার হাজার কবিতা থেকে কয়েকটা কবিতা বেছে নেয়া দুঃসাধ্য। অনেকটা দৈবচয়ন করে গত শতাব্দীর পাঁচজন কবির পাঁচটি কবিতা অনুবাদ করা হলো।) (সম্পূর্ণ…)